১ সেপ্টেম্বর থেকে গণপরিবহনে আগের ভাড়ায় চলা নিয়ে যা বললেন সেতুমন্ত্রী

আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে শর্ত সাপেক্ষে গণপরিবহনে আগের নির্ধারিত ভাড়ায় ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজধানীর নিজ বাসভবন থেকে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ঢাকা জোনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে এ তথ্য জানান তিনি।

এর আগে গত ৩১ মে সরকার আন্তঃজেলা বাস পরিষেবাসহ সকল বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য মোট আসনের অর্ধেক যাত্রীকে নিয়ে যানবাহন চলাচলের শর্ত হিসেবে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দেখা যায়, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বর্ধিত হারে। এজন্য বিভিন্ন সংগঠন থেকে বর্ধিত ভাড়া বাতিলের দাবি ওঠে।

এ প্রসঙ্গে গত ২৫ আগস্ট সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘সরকার করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয়। গাড়ির আসন সংখ্যা অর্ধেক খালি রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার শর্তে ভাড়া সমন্বয় করে এ সময়ের জন্য। শুরুতে কিছু পরিবহন প্রতিশ্রুতি মেনে চললেও এখন অনেকেই তা মানছেন না। ঈদের প্রাক্কালে স্পষ্টভাবেই নানা অভিযোগ এসেছে।’

আরো পড়ুন….করোনা রোগীদের সুচিকিৎসায় ডেডিকেটেড ঘোষিত দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এখনও দুই শতাধিক করোনা রোগী নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালের আইসিইউতে ১৮৫ এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৬ জনসহ সর্বমোট ২১১ করোনা রোগী ভর্তি রয়েছেন।রাজধানীসহ সারাদেশে করোনা শনাক্তে নমুনা পরীক্ষার তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা আগের চেয়ে কম। কিন্তু মৃতের সংখ্যা তুলনামূলক অনেক বেশি। অধিকাংশ রোগী হাসপাতালে বিশেষ করে আইসিইউতে মারা যাচ্ছেন। তাদের বেশির ভাগেরই বয়স ৬০ বছরের বেশি।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যারা মারা যাচ্ছেন তারা বয়স্ক এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও কিডনিজনিত সমস্যায় আগে থেকেই আক্রান্ত ছিলেন। ফলে আইসিইউতে চিকিৎসা পেলেও তাদের বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না।স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে করোনা রোগীদের জন্য আইসিইউ শয্যা সংখ্যা ৩১০টি। এর মধ্যে বর্তমানে রোগী আছে ১৮৫ জন। আইসিইউ বেড ফাঁকা রয়েছে ১২৫টি।