সৌদি যাওয়া প্রায় ২৫ হাজার প্রবাসীকে নতুন করে ভিসা নিতে হবে

সৌদি যাওয়া প্রায় ২৫ হাজার প্রবাসীকে ফের নতুন করে ভিসা নিতে হবে। মার্চ মাসে সৌদি আরবের দেয়া ২৫ হাজার ভিসা বাতিল করেছে। তবে সৌদি আরব তাদের নতুন ভিসা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। এছাড়া পুরনো কফিল বা চাকরিদাতা নথি হালনাগাদ না করলে যেতে পারবেন না শ্রমিকরা। পুরনো কফিল নথি হালনাগাদ করছে না এ রকম শ্রমিকের সংখ্যা ৫৩ জন বলে জানান মন্ত্রী।

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সৌদি আরব, সংযুক্ত আবর আমিরাত, কাতার, ওমান, ইরাক ও মালয়েশিয়ার কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী। এ সময়ে দুই মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।বৈঠক শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, সৌদি আরবে বর্তমানে অনেকগুলো ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। কাল থেকে সপ্তাহে সৌদি এয়ারলাইন্স ১০টি এবং বাংলাদেশ বিমান ১০টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। তাতে অনেক লোক যেতে পারবে।

সৌদি জানিয়েছে যে তারা দুই ধরনের লোককে এখন নিচ্ছে। প্রথমত যারা সেখানে চাকরি করতেন, এখানে এসে আটকা পরে গেছেন। তারা যাচ্ছেন তবে তাদের ভিসাটি পুনঃবিবেচনা করতে হচ্ছে।এ সময়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, যারা মার্চে ভিসা পেয়েছিলেন। কিন্তু ভিসা ব্যবহার করতে পারেননি, এ ভিসাগুলো বাতিল করে আবারো ভিসা দিব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি মিশনে ৭ জন মানুষ কাজ করে। তাদের ধারনা ২৫ হাজারের মতো ভিসা নতুন করে করতে হবে। বিষয়টা একটু সময় সাপেক্ষ, সবাইকে ধৈর্য্য ধরতে হবে। সবাই যাবে। এ নিশ্চয়তা তারা আমাদের দিয়েছে।যারা কফিল পাচ্ছেন না, তারা কি ছাঁটাইয়ের তালিকায় পড়ে গেছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, কফিলের মাধ্যমে অনুমতি নবায়ন করা হচ্ছে একটি শর্ত। কারণ যে কাজে নিবে, তাকেই এটি হালনাগাদ করতে হবে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা প্রশ্ন করেছিলেন ১০ লাখ, ১৫ লাখ প্রবাসী চলে আসবে। আপনারা খুব ত্যক্ত করেছিলেন। বলেছিলেন ১৫/২০ লাখ আসবে। আমরা বলেছিলাম এত আসবার সম্ভাবনা কম।আমাদের এখন পর্যন্ত হিসেবে প্রবাস থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার লোক এসেছে। ১৫ লাখ তো কাছাকাছিই নাই। আমাদের প্রবাসীরা খুব বুদ্ধিমান। তারা কোনোভাবে ব্যবস্থা করে নিয়েছে।