সৌদি আরবগামী ফ্লাইটে যাত্রী পরিবহনের শর্ত শিথিল

সৌদি প্রবাসীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে সৌদি ফেরাতে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)।শুধুমাত্র সৌদির ফ্লাইটগুলোর সিটে যাত্রী বহনের সীমাবদ্ধতা শিথিল করা হয়েছে।রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মোহাম্মদ সোহেল কামরুজ্জামান।

এক বার্তায় তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে সৌদি গমনের জন্য অপেক্ষমাণ প্রবাসীদের দুরবস্থা নিরসনে বেবিচকের পক্ষ থেকে প্রতিটি ফ্লাইটে যাত্রী বহনের ক্ষেত্রে আরোপিত সংখ্যার সীমাবদ্ধতা (বড় (প্রশস্ত) প্লেনে জন্য ২৬০ এবং ছোট (অপ্রশস্ত) বিমানের জন্য ১৪০) শিথিল করা হয়েছে।

এক্ষেত্রে ঢাকা থেকে সৌদির বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের (সাউদিয়া) ফ্লাইটগুলো আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত প্লেনভর্তি যাত্রী বহন করতে পারবে।বার্তায় আরও বলা হয়েছে, যাত্রী বহনের বিষয়টি শিথিল করলেও এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে কমানোর জন্য বেবিচক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আরো পড়ুন…সংযুক্ত আরব আমিরাতের গ্রিন সিটি আল আইনের শিল্পাঞ্চলে নির্মাণসামগ্রী ব্যবসায় এগিয়ে রয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এই শিল্পাঞ্চলে বাংলাদেশিদের উন্নতি চোখে পড়ার মতো।অন্তত ৬০ শতাংশ ব্যবসায়ী বাংলাদেশি বলে মত দিয়েছেন অনেকে। আমিরাতের সৌন্দর্য এবং সমৃদ্ধ নগরী আল আইন। বলতে গেলে আমিরাতের শাসক-শ্রেণি এবং প্রভাবশালীদের আবাসস্থল এই আল আইনে।তাই শহরটি আমিরাতবাসীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এই গুরুত্বপূর্ণ শহরের অর্থনীতির উৎসস্থল সানাইয়া শিল্পাঞ্চলে নির্মাণসামগ্রী ব্যবসায় বাংলাদেশিদের নিয়ন্ত্রণ চোখে পড়ার মতো।প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার বাংলাদেশি প্রতিনিয়ত এ শিল্পাঞ্চলের চাকা ঘোরাচ্ছে। এই অঞ্চলে নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশিদের রিয়েল এস্টেট, গ্যারেজ, অটো ইলেকট্রিক, রেস্টুরেন্ট, স্টিল ওয়ার্কশপ, প্রিন্টিং প্রেস, অ্যালুমিনিয়াম ফ্যাক্টরিসহ নানারকম ব্যবসা।করোনার সময়ে ব্যবসায়ীরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমানে এখানে ব্যবসার গতি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে বলে তারা জানিয়েছেন।