সোমবার টিভিতে প্রদর্শিত হবে ‘হাসিনা: অ্যা ডটার্স টেল’

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ দেশের বেশ কয়েকটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে আলোচিত ডকুফিল্ম ‘হাসিনা: অ্যা ডটার্স টেল’।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) জানিয়েছে, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ টেলিভিশনে এটি প্রদর্শিত হবে দুপুর ৩টায়।

এছাড়া দুপুর ১২টায় একুশে টিভি, দুপুর ৩টায় একাত্তর টিভি ও চ্যানেল আই, দুপুর ৩টা ৫০ মিনিটে গাজী টেলিভিশনে, বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে ডিবিসি, বিকেল ৫টায় সময় টিভি, ৫টা ৩০ মিনিটে দেশ টিভি, রাত ৮টা ৫০ মিনিটে বাংলা টিভি, রাত ৯টা ৩০ মিনিটে বিজয় টিভি এবং রাত ১১টায় মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের পর্দায় প্রচারিত হবে এই ডকুফিল্ম।

‘হাসিনা-অ্যা ডটার’স টেল’-যেখানে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয় একজন সাধারন সংগ্রামী নারীর অসাধারণ হয়ে ওঠার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি দেখানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জীবনে তার বোন শেখ রেহানার ভূমিকা, দেশ ও স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু পরিবারের নানা ত্যাগের চিত্রও।পিপুল খান পরিচালিত এই ডকুফিল্মটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এবং অ্যাপলবক্স ফিল্মস। আবহ সঙ্গীত পরিচালনা করেন দেবজ্যোতি মিশ্র। চিত্রগ্রহণে ছিলেন সাদিক আহমেদ। ২০১৮ সালের ১৬ নবেম্বর বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছিল এই ডকু ফিল্মটি।

স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রিমিয়ার শোর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেছিলো ‘হাসিনা: এ ডটারস টেল’। দর্শকদের জন্য স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, মধুমিতা সিনেমা হল এবং সিলভার স্ক্রিনে প্রদর্শনী শুরু হওয়ার পর থেকে পরবর্তী দুই সপ্তাহে বক্স অফিসে সবচেয়ে সফল ছিল ডকুড্রামাটি। দর্শক চাহিদার কথা মাথায় রেখে পরবর্তীতে সারা দেশের জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের আরো ৩৫টি সিনেমা হলে প্রদর্শিত হয় এটি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতুহল আছে সবার। তিনি বঙ্গবন্ধুর কন্যা। কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর কীভাবে তিনি বেঁচে ছিলেন তার ইতিহাস অনেকের কাছেই অজানা। এবিষয়টি মাথায় রেখেই সারা দেশে ডকুড্রামাটি সাড়া ফেলেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখনো এটি দেখানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে বলে জানান এর পরিবেশক গাউসুল আজম শাওন।

ডকুড্রামাটির পরিচালক পিপলু খান বলেন, এই ডকুড্রামায় একজন শেখ হাসিনা তাঁর রান্নাঘর থেকে শুরু করে সরকার প্রধানের দায়িত্ব পালন, বেঁচে থাকার সংগ্রামসহ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, রাজনৈতিক জীবনের নানা দিক ফুটে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানার জীবনের কথাও উঠে এসেছে এতে। ডকুড্রামাটির মধ্য দিয়ে একটি সত্যনিষ্ঠ জীবন প্রবাহকে পর্দায় হাজির করতে চেয়েছেন বলে জানান পিপলু খান।