সেই ভয়াল রাতের ঘটনা মনে পড়ছে না ইউএনও ওয়াহিদার

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের হামলার শিকার ইউএনও ওয়াহিদা খানম ডাকলে সাড়া দিচ্ছেন। নিজের নাম বলতে পারছেন। তবে হামলার ঘটনা কিছুই মনে করতে পারছেন না।শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে ইউএনও ওয়াহিদার স্বাস্থ্যের সবশেষ অবস্থা জানান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক বদরুল আলম।

তিনি বলেন, এখন কোথায় আছেন এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়াহিদা খানম বলছেন, আমি বাসায় আছি। হামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কিছু মনে করতে পারছেন না বলে জানান। এর আগে হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক জাহেদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, অস্ত্রোপচারের সময় ওয়াহিদা খানমের মাথায় কমপক্ষে ৯টি আঘাতের ক্ষত দেখা গেছে। মাথার খুলির যে হাড়টি ভেঙে ভেতরে ঢুকে গিয়েছিল,

সেটি অস্ত্রোপচারের সময় বের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে তাঁর জ্ঞান ফেরে। তিনি কথাও বলেন। তার শরীরের ডান পাশ এখনো অবশ। এটি ঠিক হতে সময় লাগতে পারে।এই হাসপাতালে ওয়াহিদা খানমের আড়াই ঘণ্টার জটিল অস্ত্রোপচার হয় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে। এই অস্ত্রোপচারে অংশ নেন ছয়জন চিকিৎসক। সঙ্গে ছিলেন একজন অবেদনবিদ।

উল্লেখ্য, বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে সরকারি বাসভবনে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে পিটিয়ে আহত করে দুষ্কৃতকারীরা।তাদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে ঘোড়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে পরে রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেয়া হয়। তার বাবাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওয়াহিদা খানমকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়।