সিনহা হ’ত্যা’র দায় স্বী’কার করে লিয়াকত যে জবানবন্দি দিলেন

সাবেক মেজর সিনহা হ’ত্যার দায় স্বী’কার করে আ’দা’লতে জবান’বন্দি দিয়েছেন মা’মলার প্রধান আ’সামি টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক ইনচার্জ লিয়াকত আলী। রোববার বেলা ১২টার দিকে কক্সবাজারের ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে বিচা’রকের খাস কাম’রায় তার এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।এদিন তৃতীয় দফায় তিন দিনের রি’মান্ডে থাকা অবস্থায় লিয়াকতকে স্বী’কারোক্তিমূলক জবান’বন্দি দিতে আ’দা’লতে নেয়া হয়।

সিনহা হ’ত্যা মা’মলার তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিনি (এসআই লিয়াকত) আমাদের কাছে তার দোষ স্বীকার করেছেন। আমি আশা করি তিনি সত্যটাই আদা’লতে প্রকাশ করেছেন। তিনি আরো বলেন, সিনহা হ’ত্যা মা’মলায় পরিদর্শক লিয়াকতকে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিতেই আ’দালতে আনা হয়েছিল। আশা করি তিনি সত্য কথাটি বলেছেন।

এর আগে আদা’লতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এপিবিএনের তিন সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আব্দুল্লাহ। একই মা’মলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত রি’মান্ডে আছেন। গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) তৃতীয় দফায় তাদের তিন দিনের রি’মান্ডে নেয় মা’মলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব।

গত ৩১ জুলাই ঈদের আগের রাতে টেকনাফের একটি পুলিশ চেকপোস্টে পরিচয় দেয়ার পরও মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদকে গু’লি করে হ’ত্যা করা হয়। ঘটনার পর বা’দী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি ও রামু থানায় একটি মা’মলা করে পুলিশ।এদিকে গত ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে হ’ত্যা মা’মলা করেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

এ মা’মলায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বি’রু’দ্ধে হ’ত্যা মা’মলা দায়ের করলে আ’দালত টেকনাফ থানাকে মা’মলা গ্রহণের আদেশ দেন।মা’মলা হওয়ার আগেই থানা থেকে ওসি প্রদীপকে প্রত্যা’হার করা হয়। এর পরদিন ওসিসহ ৭ আ’সামি আ’দা’লতে আত্ম’সমর্পণ করলে তাদের জা’মিন না মঞ্জুর হয়। এ হ’ত্যা মাম’লায় গ্রে’ফতার সাত পুলিশ সদস্যকে সাম’য়িক বর’খাস্ত করা হয়।

বর’খাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন ওসি প্রদীপ, সিনহাকে গু’লি করা হ’ত্যাকারী পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপ-পরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিত, সহকারী উপ-পরিদর্শক লিটন মিয়া এবং কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন।