সিনহার হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না: র‍্যাব

র‌্যাবের মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার গাড়ি যখন শামলাপুর চেকপোস্টে থামানো হয়, তখন গাড়ি থেকে নেমে হাত তুলে, হাঁটু গেড়ে বসেন তিনি। তার হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী র‌্যাব মহাপরিচালককে এমন তথ্যই জানিয়েছেন নতুন তদন্ত কর্মকর্তা। শিগগিরই তদন্ত শেষ হবে জানিয়ে র‌্যাব ডিজি বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা তদন্তে বিব্রত নন তারা।

এসআই লিয়াকত গুলি করার সময় অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার হাতের অবস্থান র‌্যাব মহাপরিচালককে দেখান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র এএসপি খাইরুল ইসলাম। এছাড়া টেকনাফের শামলাপুর চেকপোস্টে যে ড্রাম ব্যবহার করে গাড়ির গতিরোধ করা হয় এবং গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সিনহার দেহ কোথায় পড়েছিল তাও দেখানো হয়।র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অপারেশন্স,

ডিজিকে জানান শামলাপুর চেকপোস্টে আসার আগে সিনহার গাড়ি বিজিবির চেকপোস্টে থেমেছিল। সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ পরিচালনা করে তাদের মনে হয়নি যে গাড়িটি কেউ তাড়া করছে।পরিদর্শন শেষে র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, তদন্ত ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হত্যা মামলা তদন্ত করতে তারা বিব্রত নন।

র‌্যাব মহাপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এটা আমরা খুঁটিয়ে দেখছি। যে সব তথ্য পাচ্ছি প্রতিটি তথ্য নিয়ে তদন্ত করছি। সব কিছুই জানতে পারবেন।মামলার তদন্ত তদারকিতে সকালে হেলিকপ্টারে উড়ে আসেন র‌্যাব প্রধান।

আরো পড়ুন…লাইজুর বাবা আব্দুছ ছামাদ কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার মেয়েকে বিয়ের পর থেকে ১০ লাখ টাকার জন্য চাপ দেয় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। গরুর খামার করবে, তাই টাকা দিতে হবে। আমি বলেছি, বাবা কিছুদিন আগে পাঁচ ভরি স্বর্ণ দিয়েছি। তোমাদের বিয়ের সময় চার লাখ টাকা খরচ করেছি। এখন টাকা কোথায় পাব। কিছুদিন সময় দাও। টাকা দিতে না পারায় অত্যাচার করে আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন।