সামরিক শক্তিতে আজারবাইজানের ধারে কাছেও নেই আর্মেনিয়া

আলোচনার টেবিলে বসতে নারাজ আজারবাইজান ও আর্মেনিয়া দুই পক্ষই। মঙ্গলবার থেকে বিতর্কিত নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে যুদ্ধ। বাড়ছে তুরস্ক ও রাশিয়ার যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা। ফলে ককেশাস অঞ্চলে অস্থিরতা তুঙ্গে। তবে দুই দেশের মিলিটারি শক্তিতে আজারবাইজান অনেকটাই এগিয়ে। দেখে নেওয়া যাক কার শক্তি কতটুকু-

আজারবাইজান ৮৬৬০০ বর্গ কিলোমিটারের একটি ছোট দেশ যার লোকসংখ্যা ৯৭১৩৫০০। অপরপক্ষে আর্মেনিয়ার আয়তন ২৯৭৪৩ বর্গকিলোমিটার এবং মোট জনসংখ্যা ২৯৯৮৬০০।আজারবাইজানের মোট সক্রিয় সেনাপতি ৬৬৯৪০, যেখানে আর্মেনিয়ার ৪৫০০০। রিজার্ভ সৈন্যসংখ্যাও আজাবাইজানের বেশি। আজেরি রিজার্ভ সৈন্য আছে ৩০০০০০ জন যেখানে আর্মেনিয়ার মাত্র ২১০০০০ জন।

আজারবাইজানের ৩০ লক্ষ সদস্য মিলিটারি সার্ভিসের জন্য প্রস্তুত আছে যেখানে আর্মেনিয়ার মাত্র ৮ লক্ষ ৯ হাজার।যুদ্ধের জন্য ট্যাংক সংখ্যার দিক থেকে খুব বেশি পার্থক্য নেই। আজারবাইজানের ট্যাংক আছে ৬৬৫ টি যেখানে আর্মেনিয়ার ৫২৯ টি। তবে যুদ্ধের সাঁজোয়া যান আর্মেনিয়ার ১৬৩৭, যেখানে আর্মেনিয়ার মাত্র ১০০০ টি।আজারবাইজানের আর্টিলারি ৭৪০টি। এখানেও পিছিয়ে আর্মেনিয়া।

তাদের আছে মাত্র ২৯৩ টি। স্বয়ংক্রিয় আর্টিলারি আছে আজারবাইজানের ২৩৭ টি যেখানে আর্মেনিয়ার মাত্র ৩৮ টি। আর্মেনিয়ার রকেট আর্টিলারি আছে ১০৫ টি। এক্ষেত্রেও ১৯৬ টি রকেট আর্টিলারি নিয়ে এগিয়ে আজারবাইজান।বিমান বাহিনীতে আজারবাইজানের এয়ারক্রাফট আছে ১২৭ টি, আর্মেনিয়ার ৬৫ টি। আর্মেনিয়ার ফাইটার এয়ারক্রাফট না থাকলেও আজারবাইজানের আছে ৫ টি।

তবে অ্যাটাক এয়ারক্রাফট আর্মেনিয়ার ১৬ টি, যেখানে আজারবাইজানের ১১ টি। আর্মেনিয়ার মাল্টিপারপাস এয়ারক্রাফট না থাকলেও আজারবাইজানের ১৩ টি। হেলিকপ্টার আছে আজারবাইজানের ৭৫ টি, আর্মেনিয়ার ৪২ টি।আজারবাইজানের নৌবাহিনীতে ভেসেল আছে ৩১ টি, ফ্রাইগেটস ১ টি এবং সাবমেরিন ৪ টি। এক্ষেত্রে আর্মেনিয়ার কোনো নৌবাহিনী নেই।সামরিক শক্তির বিচারে ঢের এগিয়ে আজারবাইজান।