সম্ভ্রম না দেয়ায় সৌদি থেকে ফিরল তার লাশ

রান্না করা, ঘর মোছা, ঘর গুছানো থেকে শুরু সব কাজ করতে হত উম্মে কুলসুমকে।সারাদিনের পরিশ্রম শেষে থেকে যাওয়া উচ্ছিষ্ট খাবার খেতে চাইলে তাও মিলত না।ক্ষুধায় কাতরানো যেন নিত্যদিনের ঘটনা।নিজের বেতনের টাকায় আনা খাবারও নিয়ে যেত বাড়ির ছোট্ট শিশুরা।এসব নিয়ে কথা বললেই চলতো নির্যাতন।

কুলসুমের ওপর নজর পড়ে বাড়ির মালিকের ছেলের।১৩ বছর বয়স পার করা মেয়েটির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়তে চায় ওই ছেলে। একদিন তাকে জোরপূর্বক বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার জন্যে পিড়াপীড়ি শুরু করে।কুলসুম কোনোভাবেই এতে রাজি হয় না।এক কথা দুই কথায় কুলসুমের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়্গ।নিপীড়নের পর ফেলে রাখা হয় বাড়ির বাইরে। পুলিশ কুলসুমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।

কুলসুম এখন বেঁচে নেই।কয়েক মাস মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে সৌদি আরব থেকে লাশ হয়ে ফিরেছে নিজ বাড়িতে।কুলসুম ওরফে সানজিদার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামে।

আরো পড়ুন…সংঘাত ও বৈরিতার জনপদ মধ্যপ্রাচ্যের দৃশ্যপট আমূল বদলে যাচ্ছে। আরব-ইসরায়েলের পুরনো শত্রুতার অবসানে তৈরি হচ্ছে নতুন বিন্যাস। সামরিক ভারসাম্যেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন। রাজনৈতিক মেরুকরণের নতুন চেহারা দেখা যাচ্ছে বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের ভূগোলে।২০২০ সালের শুরুতেই মার্কিন হামলায় ইরানি জেনারেল সুলাইমানি নিহত হওয়ার ঘটনায় নতুন করে উতপ্ত হয়েছিল মধ্যপ্রাচ্য। ইরান সিরিয়া ইয়েমেন হামাসের সামরিক শক্তির মাস্টার মাইন্ড জেনারেল সুলাইমানির হত্যার প্রতিক্রিয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও সংঘাতের আশঙ্কা করা হয়। বেশ কিছুদিন টানটান উত্তেজনা চললেও করোনাভাইরাসের ভয়ানক বিস্তারের ফলে স্তিমিত হয় উভয় পক্ষের সামরিক হুঙ্কার। খোদ যুক্তরাষ্ট্র, ইরান মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ায় সবার নজর চলে যায় গ্লোবাল পেন্ডেমিক করোনার দিকে।

কিন্তু করোনাকালের সঙ্কুল পরিস্থিতিতেও আন্তর্জাতিক রাজনীতি থেমে থাকেনি। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-সিরিয়ার নেতৃত্বে ‘শিয়া ক্রিসেন্ট’ বা শিয়া ইসলামের শক্তি সঞ্চয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত সুন্নিপন্থী সৌদি ও তার মিত্রদের নিয়ে তৎপর হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।