শুধু পায়ের পাতার ছবি তুলেই আয় সাড়ে তিন লাখ টাকা!

করোনার এই পরিস্থিতিতে এক মার্কিন নাগরিক মাসে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা রোজগার করছেন শুধু নিজের পায়ের পাতার ছবির বিক্রি করে। শুনতে অবাক লাগলেও ঘটনাটি সত্যি। ওই ব্যক্তি একটি ওয়েবসাইটে পায়ের ছবি দিয়ে এত টাকা পাচ্ছেন!ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, জেসনের পায়ের পাতার ছবি কিনে থাকেন পুরুষ-নারী উভয়েই।

আর এই ছবি বিক্রি করেই প্রতি মাসে ৪ হাজার ডলার আয় করেন জেসন। অর্থাৎ বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এমনকি তার নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম পেজও রয়েছে। তাতে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। নিজেই নিজের পায়ের পাতার ছবি তুলে বিক্রি করতে শুরু করেন। এজন্য তিনি ‘only fans’ নামে একটি ওয়েবসাইটের সাহায্য নেন। সেটির মাধ্যমে সরাসরি নিজের গ্রাহকদের ছবি পাঠান জেসন।

এই ওয়েবসাইটে সাবস্ক্রিপশন নিতে গেলে প্রতি মাসে গ্রাহককে দিতে হয় ৭.৯৯ ডলার। এই প্রসঙ্গে জেসনের মন্তব্য, ‘যেহেতু এই সমস্ত ছবি বিনা পয়সায় বা অনলাইনে বিনামূল্যে পাওয়া যায় না, তাই সবাই ওয়েবসাইট থেকে ছবিগুলো কেনেন। এজন্য আমি টাকাও পাই। আর আমি নিজেও একইভাবে পায়ের পাতার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি। তাই ওদের ব্যাপারটা বুঝতে আমার অসুবিধা হয় না।’

আরো পড়ুন…চলতি বছরের (২০২০) জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা হবে না। পরীক্ষা দুটি বাতিলের প্রস্তাবনা সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানোর পর তিনি এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন।জানা গেছে, গত ২৩ আগস্ট জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাবনা সংক্রান্ত সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়। সেই সারসংক্ষেপে সম্মতি দেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারপ্রধানের সম্মতিপত্র আজ বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। পরবর্তী করণীয় নির্ধারণে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ কাজ করছে বলে জানা গেছে।কর্মকর্তারা বলছেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এ দুই স্তরের পাবলিক পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় ক্লাস মূল্যায়নের মাধ্যমে পাস করিয়ে সার্টিফিকেট দেয়া হবে।