লকডাউনে সবজি বেচছেন ‘বালিকা বধূর’ সহকারী পরিচালক!

করোনাকালে চাকরি খুইয়েছেন প্রচুর মানুষ। লকডাউনে টানা তিনমাস বন্ধ ছিল পার্শ্ববর্তী ভারতের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এরপর আনলক পর্যায়ে ফের শুটিং শুরু হলেও অনেকেই বাদ পড়েছেন। কারণ মেনে চলতে হচ্ছে প্রচুর রকম বিধিনিষেধ। টান পড়েছে আর্থিক ভাড়েও । বালিকা বধূর কথা নিশ্চয় সকলের মনে আছে? বালিকা বধূর সহকারী পরিচালক রাম বৃক্ষ গউর এই লকডাউনে কাজ খুইয়ে ফিরে গিয়েছেন গ্রামের বাড়িতে।

উত্তরপ্রদেশের আজমগড় বাজারে বসে সবজি ব্রিকি করছেন তিনি। রামের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়ে যায় শোরগোল। রাম জানিয়েছেন, এই লকডাউনে তিনি কাজ হারিয়েছেন। যে প্রোজেক্টে তার কাজ করার কথা ছিল, সেই প্রোজেক্টের প্রযোজক জানিয়েছেন আগামী বছরের আছে কিছুই সম্ভব নয়। বাধ্য হয়েই তিনি বাড়ি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। বাবার সঙ্গে শুরু করেন সবজির ব্যবসা।

তবে এই সবজি বিক্রি করে তার কোনও আফসোস নেই। এখন পরিবারকে নিয়ে ভালে করে বাঁচতে চান তিনি। আর সেই কারণেই এখন সবজি বিক্রি করেই সংসার চালাচ্ছেন।রাম জানান, ২০০২ সালে তিনি মুম্বাইতে আসেন। বন্ধু শাহনওয়াজ খানের সাহায্যে তিনি প্রথম মুম্বাইতে এসেছিলেন। এরপরই তিনি একটি প্রযোজনা সংস্থায় লাইটম্যান হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর ক্রমশ সহকারি পরিচালক হিসেবে কাজ করতে করতে বালিকা বধূর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন বলে জানান রাম।

মুম্বাইতে নিজের ঘর রয়েছে রামের। লকডাউন উঠে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ফের তিনি মুম্বাইতে ফিরে নতুন করে কাজ শুরু করতে পারবেন বলে আশাবাদী। মুম্বইতে ফেরার আগে পর্যন্ত আজমগড়ে থেকে যেভাবে হোক নিজের লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেও জানান ওই ব্যক্তি। যশপল শর্মা, মিলিন্দ গুঞ্জি, রাজপাল যাদব, রণদীপ হুডা, সুনীল শেট্টির সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।