রায়হান হ’ত্যা: নজরদাররিতে সিলেট জে’লা পরিষদ সদস্য হেনা

সিলেট জে’লা পরিষদ সদস্য তামান্না আক্তার হেনা। বাড়ি জে’লার কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লার মাজরগাঁওয়ে। রায়হানের হ’ত্যাকারী পু’লিশের এসআই আকবর ভুইয়া ও পলাতক সাংবাদিক নোমানের ঘনিষ্ট বান্ধবী এবং আকবর ভুইয়াকে ভা’রতে পালাতে সহায়তাকারী।

হেনার বাড়িতে রেখে নোমান হেনার স্বামী হেলাল ও গ্রমের বরমসিদ্ধিপুর পাড়ার মা’দক ব্যবসায়ী আরেক হেলাল মিলে আকবরকে গত ১৪ অক্টোবর ভা’রতের মেঘালয়া রাজ্যে পাঠায়। এর পর থেকে প্রধান কারিগর নোমান আত্মগো’পনে ও মা’দক ব্যবসায়ী হেলাল একটি মা’মলায় কারাগারে থাকলেও হেনা ও তার স্বামী হেলাল দেশেই রয়েছেন।

সম্প্রতি জে’লা পরিষদ মেম্বার ওই তামান্না আক্তার হেনা,তার স্বামী হেলাল ও তাদের ভাগ্না শাহীন এই তিন জনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। তাদেরকে রায়হান হ’ত্যা মা’মলায় গ্রে’ফতার করা হয় নি। তবে হেনা ও তার স্বামী হেলাল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারীতে রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।সর্বশেষ খবরে জানা গেছে হেনা গ্রামের বাড়ি ও সিলেট নগরীর বাসা ছেড়ে গো’লাপগঞ্জে জে’লা পরিষদের আরেক মহিলা মেম্বারের বাড়িতে লুকিয়ে রয়েছেন।

আরও পড়ুন=হৃদয়ের কথা’ ছবির একটি গানে প্রথমবার আমা’র সঙ্গে তিনা পারফর্ম করেছিল। নাচের একটা দৃশ্য ছিল এমন, তিনা ঘুরে বসেছে এবং তার হাতটা আমা’র দিকে বা’ড়িয়ে দিয়েছে;আমি তাকে হাত ধরে টেনে তুলি।টেনে তোলার সময় আমি তার দিকে তাকিয়ে আছি। বলে রাখা ভালো, ওটা ছিল লাইভ পারফর্মেন্স। অনেক শ্রোতা দেখছিলেন। তখন তিনার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। ওই সময়ে তিনাকে দেখে কেন জানি আমা’র মনের ভায়োলিন বেজে উঠেছিল।এরপর আম’রা পারফর্মেন্সটা শেষ করি। পরে বাসায় ফিরে মনে মনে তিনাকে খুঁজছিলাম। যারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, তাদের আমি বলি- কী’’’

ব্যাপার?যে মে’য়েটা আমা’র সাথে নাচল, সে তো পরে আমাকে আর কিছুই বলল না। পরে তিনা আমাকে ফোন করে বলেছিল, ভাইয়া কেমন হয়েছে আমাদের পারফর্মেন্স? আমি তখন বলি, খুব ভালো হয়েছে। আমি তখন ইচ্ছে করে ব্যস্ততা দেখিয়ে ফোনরেখে দেই।এরপর একটা কাজের জন্য তিনা আমাকে ফোন করে একদিন। আমি তাকে বলি, কাজটা করো না। না করাই তোমা’র জন্য ভালো হবে। এভাবে দু-দিন, একদিন করতে করতে তিনার সঙ্গে আমা’র পরিচয় মজবুত হতে থাকে।

তিনার সঙ্গে প্রচুর ফোনে কথা বলতাম।সারাদিন শুটিং শেষে রাতে বাসায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে, খেয়ে ফোনে কথা বলতাম তিনার সঙ্গে। ওর নিজস্ব ফোন ছিলনা তখন। ওদের বাসার ল্যান্ডফোনে কথা হতো। রাত ১২ টায় ফোনে কথা বলা শুরু করতাম কখন যেরাত গড়িয়ে আযান দিত, টেরই পেতাম না।সারাদিন শু’টিংয়ের পর তিনার সঙ্গে কথা বলার সময় এত এনার্জি কোথা থেকে আসত আমি নিজেই বুঝতাম না। আযান যখন দিত, তখন ফোন রেখে দিতে চাইতাম। তখন একটা মজার ঘটনা

ঘটত।