যার পি’স্তল থেকে গু’লি করা হয় সিনহাকে

গত ৩১ জুলাই পুলিশের গুলিতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভে নি’হত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় তার বোনের করা মা’মলার তদন্ত করছে র‍্যাব। আর এই তদন্তে প্রতিদিনই বেরিয়ে আসছে নতুন তথ্য। তদন্ত কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পেরেছেন যে, নিজের পি’স্তল থেকে নয় বরং এসআই নন্দদুলাল র’ক্ষিতের পি’স্তল দিয়েই সিনহাকে গু’লি করেছিলেন বাহাড়ছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত।

তদন্ত কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, নিজে রক্ষা পেতেই এই কাজ করেছিলেন লিয়াকত। আদা’লতের নির্দেশে র‍্যাব ইতিমধ্যে পি’স্তলটি জ’ব্দ করেছে।জানা গেছে, নন্দদুলাল রক্ষিত ঘটনার দিন রাত ৮টার দিকে যখন থা’না থেকে ডিউটি শেষে ভাড়া বাসায় যান তখন লিয়াকত তাকে ফোন দিয়ে জানান যে, শ্যামলাপুর চেকপোস্টে ডা’কাতের একটি দলকে আ’টকাতে হবে। নন্দদুলাল যেন দ্রু’ত আসেন।

এরপর চেইন অব কমান্ড রক্ষা করার জন্য নন্দদুলাল র’ক্ষিত লিয়াকতের কাছে যান এবং ওই চেকপোস্টে ২টি ড্রাম দিয়ে বসানো অব’রোধের সাথে বড় বসার লম্বা টুল যুক্ত করে ব্যারি’কেডকে আরো শক্ত করেন।এদিকে, মা’ম’লার প্রধান তিন আ’সামি বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার, বাহাড়ছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত র‌্যাবের হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে একেক সময়ে একেক রকম তথ্য দিচ্ছেন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

লিয়াকত কখনো দাবি করেছেন তাকে গু’লি করা হতে পারে ভেবে তিনি গু’লি করেছেন আবার কখনো বলছেন আগেই অ’স্ত্র তাক করেছিলেন সিনহা। এছাড়া, কোনো ডা’কাত দামি গাড়িতে চলাফেরা করে কি-না এবং সিনহা রাস্তায় পড়ে কাত’রাতে থাকার পরও কেন তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়নি এসব প্রশ্নে কোনো উত্তর দিতে পারেননি আ’সামি’রা।প্রসঙ্গত, সিনহা হ’ত্যাকা’ন্ডের ঘটনায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমারসহ মোট ৯ জনকে আ’সামি করে মা’মলা দায়ের করেছেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।সূত্র: মানবজমিন।