মৃত মায়ের পাশে কাঁদছিল ক্ষুধার্ত শিশু

চাকরি হারানোর পর নিজের ক্ষুধার্ত সন্তানের পাশেই মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে শরণার্থী একজন নারীকে। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরের গোভান এলাকা থেকে গত ২২ আগস্ট মার্চি বেগমের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মারা যাওয়ার আগে বন্ধুদের তিনি বলেছিলেন, ভীষণ অর্থকষ্টে আছেন। কর্ম হারিয়ে বেকার অবস্থায় খুব খারাপ পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন।

পুলিশ যখন মরদেহ উদ্ধারে যায়, ওই সময় তার এক বছরের সন্তান পাশে বসে কাঁদছিল। জানা গেছে, তিনি মারা যাওয়ার চারদিন আগে বন্ধুদের সঙ্গে সর্বশেষ কথা হয়েছিল।শিশুটি এখন তার বাবার কাছে রয়েছে। তিনিও স্কটল্যান্ডে আশ্রয়প্রার্থী। তবে ওই নারী মারা যাওয়ার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত সঠিক কোনো কারণ জানা যায়নি।

এখন প্রশ্নটি উঠছে, কেন স্কটল্যান্ডের মতো দেশের শহরে মা ও শিশুদের ক্ষুধার্ত অবস্থায় ফেলে রাখা হচ্ছে, কেন দাতব্য সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবীদের ভরসায় সরকার দায় এড়াচ্ছে? আর তার চাকরি চলে না গেলে, এই পরিস্থিতি এড়ানো যেত কি না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

আরো পড়ুন…ভারতের ওকিনাওয়া অটোটেক লিমিটেড বাজারে আনল নতুন ইলেকট্রিক স্কুটি। ওকিনাওয়া আরথার্টি নামের দুই চাকার এই স্কুটি কম গতির। সর্বোচ্চ গতি ২৫ কিলোমিটার। এক চার্জে এই স্কুটি চলবে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত।ভারতের এই স্কুটি এখনই কেনার জন্য কেউ প্রি–বুকিং দিলে ২০০০ রুপির ছাড় মিলবে।সাধারণ সকেটেই চার্জ দেওয়া যাবে স্কুটিটি। ব্যাটারি পুরো চার্জ হতে সময় নেবে চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার। চার্জ সম্পন্ন হওয়ার পর স্কুটিটি ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলবে। প্রধানত কিশোর-কিশোরীদের কথা মাথায় রেখে বাজারে আনা হয়েছে এই স্কুটি।