মামুনুল যে বক্তব্য দেন তা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল: রাব্বানী!

মূ’র্তি বানিয়ে তাকে সৃ’ষ্টিকর্তা ভাবা, পু’জো করা, কু’র্নিশ করা (নাউজুবিল্লাহ, সরাসরি শি’রক!) আর বিশ্বের বুকে একটা নতুন মানচিত্র ও জাতি রাষ্ট্রের জন্ম দেওয়া আদর্শিক পিতার অসামান্য অবদান ও মহান স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা-সম্মান জানিয়ে তাঁর শৈ’ল্পিক ভা’ষ্কর্য নির্মাণ যে এক জিনিস না, এটা যেকোনো বোধসম্পন্ন মুসলমানের মতো মামুনুল হক নিজেও বেশ জানেন ও বোঝেন।

স্রেফ এদেশের ‘ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের অনুভূতিকে হী’ন রাজনৈতিক স্বার্থে অ’পব্যব’হার করতেই এই জামা’য়াত নেত্রীর স্বামী ও জামায়াত রুকনের জামাই অবান্তর প্রলাপ বকে চলেছেন!! আমাদের প্রা’ণপ্রিয় নবী করিম (সাঃ) বিদায় হজ্বের ভাষণে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে স্পষ্ট বারণ করেছেন। সীমা ল’ঙ্ঘনকা’রীকে কিন্তু স্বয়ং আল্লাহও প’ছন্দ করেন নাহ! তিনি যে গর্হিত ভাষায় ও টো’নে বক্তব্য দেন, তা শি’ষ্টাচার ব’হির্ভূ’ত ধৃষ্ট’তা, সরাসরি রাষ্ট্র দ্রো’হিতার শামিল।

এটা কোনভাবেই একজন স’হীহ দ্বীনি আলেমের বক্তব্য হতে পারে নাহ। অনতি’বিলম্ব এই লেবাসধারী ধর্ম ব্য’বসায়ীকে গ্রে’প্তা’র করে আই’নের আওতায় আনা হোক, আর ধর্মীয় উগ্র’বাদিতা ছড়ানোর অপ’চেষ্টায় রত খেলাফত মজলিসকে মামুনুলের মতো সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী নেতাদের প্রভাবমুক্ত করা অত্যন্ত জরুরী।ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রতি আহবান থাকবে, এই (অ)ভদ্রলোক ও তার অনু’সারীদের জ’ঙ্গি সং’শ্লিষ্টতার বি’ষয়টি ভালোভাবে তদ’ন্ত করা হোক। খেলাফত মজলিস জামায়াতের সমর্থনপুষ্ট এবং এ অংশটি থেকেই কওমী মাদ্রাসায় জ’ঙ্গিবা’দের সূচনা হয়।

হরকাতুল জেহাদের নেতারা আগে খেলাফত মজলিসের সঙ্গে যুক্ত ছিল। গ্রে’নে’ড হা’ম’লা’য় যুক্ত জ’ঙ্গি মুফতি শহিদুলের নেতৃত্বে এই মামুনুল হকরাই মোহাম্মদপুরের মাদ্রাসা দখল করে’ছিল, যা দ্রুত দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব বলে মনে করি।খেলাফত-হেফাজতের বিরাট জমায়েতের মূল রহস্য হচ্ছে, নিয়ন্ত্রাধীন সকল মাদ্রাসার ছাত্রদের তাদের ঘোষিত সমাবেশে আসতে বাধ্য করা হয়। তাই, মাদ্রাসার ছাত্রদের কোনো সমাবেশে নেয়া যাবে না- এই ম’র্মে নির্দেশনা জারি করা আবশ্যক।আর আল্লাহর ঘর, পবিত্রতম স্থান মসজিদ কে’ন্দ্রীক যেকোনো মিটিং-মিছিল বন্ধ করতে হবে।

শুক্রবার আসলে নামাজ শেষ হওয়ার আগেই এরা ব্যা’নার ফে’স্টুন হাতে মসজিদের দরজায় ও গেটে দাঁড়িয়ে যায়, আর সাধারণ মানুষ মসজিদ থেকে বের হওয়া প্রায় সকল মুসল্লীকে এসব উগ্রবাদী গোষ্ঠীর কর্মী সমর্থক ভেবে ভুল করে। লেখাটি ডাকসুর সাবেক জিএস ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেয়া।