মর্মান্তিক ঘটনা: স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীরও

ফরিদপুরের সালথায় বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে স্বামী-স্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড়খারদিয়া কাজীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- কাজীপাড়া গ্রামের মৃত ধলা মল্লিকের ছেলে রব্বান মল্লিক (৫৫) ও তার স্ত্রী হাসি বেগম (৪৮)।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ভোরে উপজেলার বড়খারদিয়া কাজীপাড়া গ্রামের রব্বান মল্লিক মাছ ধরার জাল তুলতে বাড়ির পাশে নদীতে যাচ্ছিলেন। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে রাস্তার ওপর পড়েছিল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পড়ে থাকা তার রব্বান মল্লিকের পায়ে জড়িয়ে পড়লে তিনি চিৎকার দেন। তার চিৎকার শুনে স্ত্রী হাসি বেগম তাকে ছাড়াতে গেলে তিনিও বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুতের কোনো অবহেলা আছে কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সালথা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইনচার্জ ফারুক হোসেন বলেন, মেইন তার ছিঁড়ে পড়ার বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো খবর আসেনি। তাছাড়া ওই এলাকার পল্লী বিদ্যুতের অভিযোগ কেন্দ্র বোয়ালমারী উপজেলার ময়েনদিয়ায়।

আরো পড়ুন…প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে রাজশাহী বিভাগে আরও চারজন মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে মারা গেছেন তিনজন আর চাঁপাইনবাবগঞ্জে একজন।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতরের পরিচালক ডা. গোপেন্দ্রনাথ আচার্য্য এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিভাগে করোনায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২১২ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১৩৩ জন মারা গেছেন বগুড়ায়।এর বাইরে রাজশাহী জেলায় ৩৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১১ জন, নওগাঁয় ১৫ জন, নাটোরে দুইজন, জয়পুরহাটে ছয়জন, সিরাজগঞ্জে ১১ জন এবং পাবনায় নয়জন করোনায় মারা গেছেন।

সোমবার বিভাগে নতুন ২১২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে রাজশাহীতে ৪৩ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২১ জন, নওগাঁয় একজন, নাটোরে ৫৭ জন, জয়পুরহাটে একজন, বগুড়ায় ৬৫ জন, সিরাজগঞ্জে ১৪ জন এবং পাবনায় ১৯ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।