মধ্যবিত্তের নাগালের বাহিরে সবজির দাম,দেখে নিন কোন জিনিসের কত টাকা বেড়েছে

সরবরাহের ঘাটতি না থাকলেও, হু হু করে বেড়েই চলছে বিভিন্ন সবজির দর। অনিয়ন্ত্রিত চালের বাজার নিয়ে নাকাল ক্রেতারা। জোরালো অভিযোগ উঠেছে, সিন্ডিকেটের দাপট প্রতিরোধে নেই কোন উদ্যোগ। পণ্যের দর নির্ধারণে রয়েছে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি। তবে ইশিলের চালান বাড়ায়, মাছের বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলছে। রাজধানীতে সবজির বাজারে বন্যার প্রভাব পরেছে এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।

সবজির দাম এখন শুধু নিম্নবিত্তই নয়, মধ্যবিত্তেরও নাগালের বাইরে। এক মাস ধরে বাড়তে থাকা সবজির দাম দফায় দফায় আরো চড়েছে। বেশিরভাগ সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা করে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের জন্যে গুনতে হচ্ছে, ২০০ টাকা। শতকের ঘর পার করেছে করলা, টমেটোসহ আরো কয়েক ধরণের সবজি।

অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির জন্য বন্যার অজুহাত দিচ্ছেন বিক্রেতারা। তাদের দাবী, বন্যায় ফসল তলিয়ে যাওয়া সরবরাহ কমেছে। তাই দাম বেড়েছে। তবে এমন অজুহাত পুরোপুরি মানতে নারাজ ক্রেতারা। বলছেন, সরবরাহে ঘাটতি নেই। তদারকি না থাকায় সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হচ্ছে ।কিছুদিন স্থিতিশীল থাকার পর আবার বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। কেজিতে ৫ থেকে ৬ টাকা। দফায় দফায় দাম বাড়তে বাড়তে ডাবল সেঞ্চুরির পথে আদা। তিন দিনের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা।

নিত্যপণ্যের চড়ামূল্যের বাজারে বাড়তি অস্বস্তি চালে। লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়লেও, লাগাম টেনে ধরার যেন কেউ নেই। খোদ খুচরা বিক্রেতারাই করছেন এমন অভিযোগ। মিলারদের নিয়ন্ত্রণে চালের বাজার। তাদের খেয়াল-খুশিতেই দাম নির্ধারিত হচ্ছে।খানিকটা স্বস্তি আছে মাছের বাজারে। সরবরাহ ভাল তাই দামও তুলনামূলক কম। কমে এসেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬শ’ টাকায়। আর এক কেজি খাসির মাংসের জন্য গুণতে হবে ৮শ’ থেকে সাড়ে ৮শ’ টাকা।