ভয়াবহ বন্যা যেতে না যেতেই ফের বন্যার আশঙ্কা

দীর্ঘমেয়াদি বন্যা থেকে সদ্য মুক্ত হয়েছে দেশ। এ আবহ থাকছে না। ফের বন্যার কবলে পড়তে যাচ্ছে দেশ। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে দেশের বেশকিছু অঞ্চলে বন্যা হতে পারে।বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এসব তথ্য জানা যায়। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। কুড়িগ্রামের চিলমারী, গাইবান্ধার ফুলছড়ি,

সিরাজগঞ্জের সিরাজগঞ্জ ও কাজীপুর, জামালপুরের বাহাদুরাবাদ, টাঙ্গাইলের এলাসিন এবং মানিকগঞ্জের আরিচা পয়েন্টে পানি আগামী বুধবারের (১৯ আগস্ট) মধ্যে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি বাড়তে পারে। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পয়েন্ট, মুন্সিগঞ্জের ভাগ্যকূল পয়েন্ট এবং শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে পানি বাড়তে পারে। ফলে রাজবাড়ীর নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আগামী ২২ আগস্ট পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

মুন্সিগঞ্জের ভাগ্যকূল পয়েন্ট এবং শরীয়তপুরের সুরেশ্বর পয়েন্টে পানি ১৮ আগস্ট নাগাদ বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।ঢাকার চারপাশের নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর পানি বাড়তে পারে এবং ২০ আগস্ট নাগাদ বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। ফলে ২০ আগস্টের পরে নারায়ণগঞ্জের নিম্নাঞ্চল নতুন করে বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। মিরপুর পয়েন্টে তুরাগ নদী এবং রেকাবি বাজার পয়েন্টে ধলেশ্বরী নদীর পানি বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ অফিস।

আরো পড়ুন…জেলার শ্রেণি হালনাগাদ করেছে সরকার। সম্প্রতি হালনাগাদ করা ৬৪ জেলার শ্রেণির পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।আট বা এর বেশি উপজেলা থাকা জেলাকে ‘এ’, পাঁচ থেকে সাতটি উপজেলা থাকা জেলাকে ‘বি’ এবং পাঁচটির কম উপজেলা থাকা জেলাকে ‘সি’ শ্রেণির উপজেলার মর্যাদা দেয়া হয়েছে। অবস্থানগত কারণে বেশি গুরুত্ববহ জেলাকে ‘বিশেষ ক্যাটাগরি’র অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শ্রেণি অনুযায়ী সরকার এসব জেলায় সরকারি দফতরগুলোতে জনবল নিয়োগ দেয়। এছাড়া জেলাগুলোতে উন্নয়ন পরিকল্পনা নেয়া ও ত্রাণ বরাদ্দও করা হয় এই শ্রেণি বা ক্যাটাগরির ওপর ভিত্তি করে।