ভ্যাকসিন ছাড়াই ১ কোটি ৪৬ লাখেরও বেশি মানুষের করোনা জয়

বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। তবে এর মধ্যেও আশা জাগিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন অনেকেই।আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৪৬ লাখ ছাড়িয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন এই সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সংস্থাটির সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে করোনা থেকে মোট সুস্থ হয়ে ওঠেছেন ১ কোটি ৪৬ লাখ ১ হাজার ৬৫ জন।গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহানে সর্বপ্রথম করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এরপর খুব দ্রুতই এটি ছড়িয়ে পড়ে সমগ্র চীনে। অতঃপর, সেখান থেকে বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে।

চীন থেকে ভাইরাসটি ছড়ালেও এটিতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশসমূহ।করোনা থেকে সবচেয়ে বেশি সেরে ওঠার ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২৯ লাখ ২৪ হাজার ১৫১ জন মানুষ প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। তালিকার দ্বিতীয়তে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৪ লাখ ৩২ হাজার ৪৫৬ জন।

তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসা ভারতে সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ২৯ হাজার ৪৫৪ জন। এছাড়া করোনার উৎপত্তিস্থল চীনে সুস্থ হয়েছেন ৭৯ হাজার ৬০৩ জন।এদিকে বাংলাদেশেও বাড়ছে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে ১ লাখ ৬০ হাজার ৫৯১ জন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

আরো পড়ুন..উত্তরাঞ্চলের জেলা নীলফামারীতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত ভাদর কাটানি উৎসব শুরু হয়েছে।পহেলা ভাদ্র থেকে শুরু হওয়া এই উৎসবে নববধূরা গরুর গাড়িতে করে শ্বশুর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি ‘নাইওর’ যাত্রা শুরু করেছেন। ভাদর কাটানি উৎসব যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছে নীলফামারীর মানুষ। নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁওসহ ভারতের মুর্শিদাবাদ, জলপাইগুড়ি ও শিলিগুড়ি এলাকার বাঙালি সমাজেও এই প্রথা চালু রয়েছে বলে জানা যায়। আধুনিকতার যুগেও গ্রামের বয়স্ক ব্যক্তিরা এখনও এই উৎসবকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখে থাকেন।

প্রথা অনুযায়ী ভাদ্র মাসের প্রথম দিন থেকে ১৫ দিন পর্যন্ত স্বামীর মঙ্গল কামনায় নববধূরা স্বামীর মুখ দর্শন করেন না। ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ বলেন, বিয়ের এক বছরের মাথায় ভাদ্র মাসের শুরুতেই মায়ের নির্দেশে স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে যায়। এটা চিরাচরিত নিয়ম বলে বলার কিছুই ছিল না। প্রায় ১৫-২০ দিন পর সে বাড়ি আসে। গ্রামীণ ঐতিহ্য হিসেবে ভাদ্র মাসে মামির হাতে ভাত খেতে হয়। ভাদ্র মাসে নানা ধরনের অসুখ বিসুখ লেগে থাকে তাই বড়দের মতে মামির হাতে ভাত খেলে বাকী ১১ মাস ভাল থাকা যায়।