ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধিতে কঠিন শর্ত সৌদি আরবের

ভিসা ও ইকামার মেয়াদ বৃদ্ধিতে সৌদির দেয়া কঠিন শর্তে আটকা পড়েছেন হাজার হাজার সৌদি প্রবাসী কর্মী।৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মেয়াদ শেষ হচ্ছে- এমন ভিসা নবায়নের সুযোগ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।কিন্তু এ ক্ষেত্রে তারা এমন কিছু শর্ত দিয়েছে, যা পূরণ করে নির্ধারিত সময়ে কাজে ফেরা প্রায় অসম্ভব। আবার অনেকের সব কিছু ঠিক থাকার পরও টিকিট পাচ্ছেন না।এতে তাদের যাত্রা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

বিশেষ করে যাদের মেয়াদ আজ ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আছে, তাদের সৌদি আরব পাঠানোর জন্যও বিশেষ কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। অথচ আজই তাদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে।পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বলেছেন, সে দেশের কফিল (নিয়োগকর্তা) না চাইলে ভিসা ও ইকামার মেয়াদ বৃদ্ধি করবে না সৌদি কর্তৃপক্ষ।ভিসার মেয়াদ বাড়ানোয় পাঁচটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে- সৌদি আরবে শ্রমিকের নিয়োগকর্তার (কফিল) আবেদন সংবলিত চিঠি যা সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত হতে হবে।সৌদির ইমিগ্রেশন অফিসের অনুমতি পত্রের কপি, রি-এন্ট্রি ভিসার মূল কপি, মেয়াদসহ কাজের অনুমতিপত্র বা ইকামার কপি, সৌদি আরব থেকে বের হওয়ার তারিখসহ পাসপোর্টের পাতার প্রিন্টের মূল কপি।

এসব কাগজপত্র নিয়ে যাত্রীদের সৌদি আরব দূতাবাস নির্ধারিত ট্রাভেল এজেন্সিতে যেতে হবে।সেখানে পাসপোর্ট জমা দেয়ার পর এজেন্সিগুলো তা সৌদি দূতাবাসে পাঠাবে।এরপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সব কাগজপত্র সঠিক হলে ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে দেবে সৌদি দূতাবাস।ভিসা পাওয়ার পর তখন টিকিটের জন্য সংশ্লিষ্ট বিমানসংস্থায় যোগাযোগ করতে হবে।টিকিট পাওয়ার পর সৌদি যাওয়ার আগে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে যাত্রীদের।

এর মধ্যে ৪৮ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষা, বিমান ভ্রমণের আগে সৌদি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত নির্দিষ্ট একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে যাত্রীদের।সৌদি আরবে বিমানবন্দরে নেমে বিমানবন্দর স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে জমা দিতে হবে ফর্মটি।প্রত্যেক যাত্রীকে Tatman এবং Tawakkalna নামক দুটি অ্যাপ ডাউনলোড করে নিজেদের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এজন্য সবাইকে সঙ্গে স্মার্টফোন রাখতে হবে।এসব নিয়ম মেনে চলার ক্ষেত্রে কোথাও ভুলত্রুটি হলে সৌদিতে নামার পর বিমানবন্দর অতিক্রম করার আগেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বড় অংকের টাকা জরিমানা গুনতে হবে।