বিয়ে করতে গিয়ে প্রেমিকার বাড়ি থেকে লাশ হয়ে ফিরলো তরুণ

লক্ষ্মীপুরে এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল জাবেদ হোসেন নামে এক তরুণের। তাদের এই সম্পর্কের কথা জানাজানির পর মেনে নেননি উভয় পরিবার। তাই গোপনে বিয়ে করতে চলেছিলেন জাবেদ। কিন্তু শেষে তাকে ফিরতে হলো লাশ হয়ে। নিহত জাবেদ (১৯) একই উপজেলার পূর্ব হাসন্দি এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে। জাবেদ একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত ছিল।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার হামছাদী এলাকায় ওই কলেজছাত্রীর নানাবাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় জাবেদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ওই কলেজছাত্রীর পরিবার একে আত্মহত্যা পরে প্রচার চালালেও জাবেদের পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, কলেজ পড়ুয়া পলি বেগমের সঙ্গে জাবেদ হোসেনের দীর্ঘদিনের প্রেমের সর্ম্পক ছিল।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গোপনে বিয়ে করার জন্য সকালে ওই শিক্ষার্থীর নানার বাড়িতে যায় জাবেদ।এ দিকে স্থানীয়রা জানায়, জাবেদ হোসেনকে ওই ছাত্রীর পরিবারের লোকজন কালিবাজার এলাকা থেকে রাতের কোনো এক সময়ে ধরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে বেদম মারধর করা হয়।লক্ষ্মীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্টের পর এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো পড়ুন..ভারতের প্রথম মহিলা চিকিৎসক নিয়ে তৈরি বাংলা ধারাবাহিক জি বাংলার কাদম্বিনী। প্রত্যাশিত টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট এর কাছাকাছি পৌঁছাতে পারেনি জি বাংলার কাদম্বিনী। তাই ৫ই অক্টোবরই কাদম্বিনীর শেষ এপিসোড দেখতে পারে দর্শক। জি বাংলার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কথা এখনো ঘোষণা না দেয়া হলেও বিশস্ত সূত্রের খবর শিল্পীদের কাছে ইতিমধ্যেই মেল করে ধারাবাহিক বন্ধের কথা জানানো হয়েছে।

কাদম্বিনীর পরিচালক রাজেন্দ্র প্রসাদ দাস বলেন, সিরিয়াল বন্ধ নিয়ে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু জানাননি। কিন্তু কানাঘুষায় ব্যাপারটা শোনা যাচ্ছে। জি বাংলার প্রতিদ্বন্দ্বী চ্যানেল স্টার জলসায় একই বিষয় নিয়ে একটি সিরিয়াল চলছে- প্রথমা কাদম্বিনী। সেটি সম্পর্কে কোনও খবর এখনো নেই। জি বাংলার সিরিয়ালে কাদম্বিনীর ভূমিকায় উষশী রায়।