বিশ্বের সেরা ধনী বিল গেটসের পরিবারে শোকের ছায়া

মাইক্রোসফটের সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্বের অন্যতম ধনী বিল গেটস’র বাবা আর নেই। গত সোমবার বার্ধক্যজনিত নানান রোগে তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর।তিনি বিল গেটস সিনিয়র হিসেবে পরিচিত দ্বিতীয় উইলিয়াম হেনরি গেটস। তিনি সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা এবং ‘সিয়াটল ল ফার্মের’ প্রতিষ্ঠাতা অংশীদার ছিলেন।

বিল গেটস তার অফিশিয়াল এক ব্লগ পোস্টে বাবার মৃত্যুর খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। বিল গেটস লিখেছেন, এত বছর ধরে আমাদের জীবনে এই আশ্চর্যজনক মানুষটি পেয়ে আমরা কতটা ভাগ্যবান, তার ছাপ আমাদের সবার ওপর দীর্ঘ সময় ধরে রয়েছে।বিল গেটস’র পরিবার জানিয়েছে, ওয়াশিংটনের হুড ক্যানেলের সমুদ্র সৈকতসংলগ্ন বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। তার আলঝেইমার রোগ ছিল। মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে দাতব্য কাজে সহায়তাকারী ছিলেন তিনি। সূত্র-সিএনএন

আরো পড়ুন…ক্লাসে বহুবার তিনি তাচ্ছিল্যের শিকার হয়েছেন। শিক্ষকরা তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে বলতেন তোমা’র দ্বারা কিছু হবে। তাচ্ছিল্যের শিকার সেই ছা’ত্রীটিই এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। ভা’রতের ঝাড়খণ্ডের সিধো কানু মুর্মু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে নিযু’ক্ত হয়েছেন নয়াদিল্লির জহরলাল নেহরু ইউনিভা’র্সিটির (জেএনইউ) প্রফেসর সোনাঝরিয়া মিনজ। স্বাধীন ভা’রতে এই প্রথম কোনো আদিবাসী মহিলার ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার ইতিহাস রচিত হল দেশে। জানা

গেছে, ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল দ্রৌপদী মুর্মু নিজেও একজন আদিবাসী সমাজের প্রতিনিধি। তিনিই সোনাঝরিয়াকে নিয়োগ করেন এই পদে। সোনাঝরিয়া মিনজ জেএনইউ এর স্কুল অফ কম্পিউটার এবং সিস্টেমস সায়েন্সের প্রফেসর ছিলেন। সোনাঝরিয়া মিনজের এই কৃতিত্বে খুশি গোটা ঝাড়খণ্ড। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দিল্লি থেকে ঝাড়খণ্ড পৌঁছান অধ্যাপক মিনজ। দায়িত্ব নেন ভিসি হিসেবে। সোনাঝরিয়া মিনজের স্কুলজীবন কে’টেছে রাঁচিতেই। সেখান থেকেই শুরু যু’দ্ধ ও সংকল্প। বহুবার শুনেছেন,