বাড়তি দামেও মিলছেনা টিকেট

স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম বিমান চলাচল। কিন্তু টিকিটের চাহিদা অনেক। এতে চরম বিপাকে চট্টগ্রামের প্রবাসীরা। কাঠখড় পুড়িয়েও মিলছে না একটি টিকিট।এই সুযোগে দু’ থেকে তিনগুণ টিকিটের বাড়তি দাম রাখছে বিমানসংস্থাগুলো।মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইন যাওয়ার ৪০ হাজার টাকার টিকিট ১ লাখ ৪০ হাজারেও মিলছে না।একইভাবে অন্যান্য গন্তব্যের বিমান টিকিটের দামও চড়া ।

করোনাকালে ছুটি কাটাতে দেশে আসা প্রবাসীদের দুর্ভোগ থেকে যেন মুক্তি মিলছেই না।একদিকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা নেগেটিভ প্রতিবেদন যোগাড় করা, এখন তার সাথে যুক্ত হয়েছে চাহিদা অনুযায়ী যাত্রার বিমান টিকেট না পাওয়া।আবার দেন দরবার করে টিকিট পাওয়া গেলেও তার দাম আকাশ ছোঁয়া। একজন বলেন, ‘আগে যেখানে টিকিটের দাম ৬০ হাজার টাকা এখন সেটি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা।’ আরেকজন বলেন, ‘অনেক জায়গায় খুঁজেও টিকিট পাইনি। অনেক ভোগান্তি।’

এদিকে,বাংলাদেশে আবারও ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে চায় ইতিহাদ এয়ারওয়েজ।ঢাকা-আবুধাবি রুটে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে পুনরায় ফ্লাইট চালুর অনুমতি চেয়ে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে আবেদন করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানসংস্থাটি।বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ আগস্ট বেবিচকের কাছে ফের ফ্লাইট শুরু করার অনুমতি চেয়ে আবদেন করে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ।

তার একদিন পরেই বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমানের কাছে ইতিহাদ এয়ারওয়েজকে বাংলাদেশে কার্যক্রম চালুর অনুমতি দিতে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লেখেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেনারেল সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের (জিসিএএ) মহাপরিচালক।