বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় কাতার

কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সুলতান বিন সাদ আল মুরাইখি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ ও কাতারের সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ। এ সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী কাতার।’রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. জসীম উদ্দিন তার পরিচয়পত্রের অনুলিপি কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। পরে তারা সংক্ষিপ্ত বৈঠক করেন। এ সময় উল্লিখিত কথাগুলো বলেন কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সুলতান বিন সাদ আল মুরাইখি দুই দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ে সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি কাতারের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের অবদানের প্রশংসা করেন। কাতারে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা করার বিষয়ে তিনি নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে আশ্বস্ত করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কাতার সরকার কর্তৃক শ্রম আইনের সংস্কারকে সময়োপযোগী ও অত্যন্ত ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত মো. জসীম উদ্দিন। বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে ব্যবসায়িক ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি কাতারে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়েও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়া, দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়ে একযোগে কাজ করার বিষয়ে রাষ্ট্রদূত আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধান, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া বিভাগের পরিচালক, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তা ও দূতাবাসের প্রথম সচিব।

আরো পড়ুন…ধান চাষের কথা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কাদা-মাটিতে মাখামাখি ক্ষেতের ছবি। কৃষকরা নিপুন হাতে ধানের চারা রোপন করেন। তবে এই কাজটি যদি সৌদি আরবের মতো মরুভূমির দেশে হয় তাহলে একটু অবাক হতেই হয়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল আল আহসা হাসাভি নামের লাল চালের জন্য পরিচিত। এই ধান চাষ বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল।আল আহসার কৃষকরা প্রতি বছর গ্রীষ্মের পরে বিশেষ করে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে ধানের চারা রোপন করেন। এর আগে তারা মাটি প্রস্তুত শুরু করেন। সৌদিতে ধান চাষের ছবিসহ ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রয়টার্স।