বাংলাদেশীদের ভিসার মেয়াদ বাড়াবে কিনা রোববার জানাবে সৌদি

সৌদি থেকে ছুটি কাটাতে আসা বাংলাদেশিদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর প্রশ্নে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের জন্য রোববার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন।তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভিসার মেয়াদ তিন মাস বাড়ানোর জন্য সৌদি আরব সরকারকে চিঠি দেয়া হয়েছে।

কিন্তু সৌদি আরবে সরকারি ছুটি থাকায় সিদ্ধান্তের জন্য রোববার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।দুইদিন ধরে প্রবাসীদের অনেকে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য বিমানের টিকেট এবং ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে ঢাকায় বিক্ষোভ করছেন।এমন প্রেক্ষাপটে প্রবাসী কল্যাণ এবং পররাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর একটি বৈঠক আজ বুধবার অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এই বৈঠকের পর প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে তাদের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এ ধরনের বিক্ষোভ বা আন্দোলন করলে সৌদি আরবের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

এদিকে,করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে সাত মাস বন্ধ থাকার পর সৌদি আরব সীমিত পরিসরে ৪ অক্টোবর থেকে ওমরাহ হজ করার অনুমতি দিতে যাচ্ছে। প্রাথমিক অবস্থায় দেশটিতে বসবাসকারীরা ওমরাহ করতে পারবেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ’র বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে।বছরের যেকোনো সময় মুসলিমরা ওমরাহ করতে মক্কা ও মদিনায় যেতে পারেন। গতবছর এক কোটি ৯০ লাখ মুসলমান ওমরাহ পালন করলেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর মার্চে ওমরাহ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় সৌদি সরকার।

এসপিএ বলছে, এমনিতেই দৈনিক ২০ হাজার জনের ওমরাহ করার অনুমতি দেওয়া হলেও আপাতত এর ৩০ শতাংশ, অর্থাৎ দেশটিতে বসবাসকারীদের মধ্যে থেকে দিনে ছয় হাজার জনকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওমরাহ করার অনুমতি দেওয়া হবে। ১৮ অক্টোবর থেকে তা বাড়িয়ে ৭৫ শতাংশ করা হবে।এরপর ১ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন দেশের মুসলিমদেরকেও ওমরাহ করার অনুমতি দেওয়া হবে। তখন দৈনিক শতভাগ ধারণক্ষমতার মানুষ ওমরাহ করতে পারবেন।মহামারীর কারণে এবার মুসলিমদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ হজও সীমিত আকারে পালিত হয়েছে। প্রতিবছর ৩০ লাখ মানুষ হজ করলেও এবার মাত্র কয়েক হাজার স্থানীয় বাসিন্দা হজ করার সুযোগ পেয়েছেন।মঙ্গলবার পর্যন্ত সৌদি আরবে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ৩০ হাজার ৭৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে; মৃত্যু হয়েছে ৪৫৪২ জনের।