দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের টার্গেট করে নতুন ফাঁদ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে নিয়োগের নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। আর এক্ষেত্রে টার্গেট করা হতো করোনায় আটকে পড়া প্রবাসী কিংবা বিদেশ যেতে আগ্রহী শ্রমিকদের। রাজধানীর খিলখেত এলাকায় গজিয়ে ওঠা এমন ভুয়া প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজ শুরুর আগেই তা নিয়ে নতুন ব্যবসা শুরু করেছে একটি অপরাধ চক্র। শ্রমিক নিয়োগের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি কোটি টাকা।আর এ ক্ষেত্রে টার্গেট বিদেশ ফেরত শ্রমিক। বিশেষ করে এই করোনার সময়ে যারা দেশে এসে আটকা পড়েছেন কিংবা বিদেশ যাবার স্বপ্ন দেখছেন তাদেরকেই বেছে নিচ্ছেন প্রতারকরা।

শুরুতেই মেডিকেল পরে নিয়োগের চুক্তি। এ ব্যবসায় জড়িতদের অধিকাংশই আগে জড়িত ছিলেন আদম ব্যবসায়ী। করোনাকালে ব্যবসায় ভাটা পড়ায় কৌশল পাল্টে পেতেছেন নতুন ফাঁদ।রাজধানীর খিলখেত এলাকায় গত কয়েক মাসে গজিয়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।তবে র‌্যাব বলছে এক্ষেত্রে সবার আগে দরকার সাধারণ মানুষের সচেতনতা।

আরো পড়ুন…সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির পর এবার দুবাই ফেরা নিয়ে জটিলতায় পড়তে হচ্ছে দেশে আটকে পড়া প্রবাসীদের। তাদের অভিযোগ, দুটি বিমান সংস্থা ও ট্রাভেল এজেন্টদের আশ্বাসে চড়া দামে টিকিট কিনলেও বিমানবন্দর থেকে ফেরত আসতে হয়েছে অর্ধশতাধিক যাত্রীকে। ইতোমধ্যে যারা টিকিট কিনেছেন ফেরা নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছেন তারা। এজন্য এয়ারলাইন্সকে দুষছে ট্রাভেল এজেন্টরা। এ বিষয়ে জানতে ফ্লাই দুবাই অফিসে গেলে তারা সময় টেলিভিশনের প্রতিবেদকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।