ডা. সাবরিনা আদালতে কেঁদেই দিলেন

আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ড. সাবরিনাসহ আট আসামীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর এই আদেশ শুনে আদালতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ডা. সাবরিনা চৌধুরী।মামলা করার ৪২ দিনের মাথায় দেয়া এই অভিযোগপত্রে বলা হয়,

জেকেজির সাবরিনা ও তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরী করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন । এ দুজন ছাড়া মামলার অন্য ছয় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হলেন জেকেজির সমন্বয়ক সাঈদ চৌধুরী, জেকেজির সাবেক কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, তার স্ত্রী তানজিনা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম ও জেবুন্নেসা।

শুনানিতে মামুনুর রশীদ নামের এক আসামিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং সাবরিনা সহ আট আসামীর অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দেয়া হয়েছে। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেছে আদালত।প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাস শনাক্তকরণ পরীক্ষা না করেই ভুয়া ফলাফল প্রদানের অভিযোগে গত জুলাই মাসে জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ড. সাবরিনা চৌধুরি এবং তার স্বামী জেকেজি হেলথকেয়ারের প্রধান নির্বাহী আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়।

আরো পড়ুন…করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। ইতিমধ্যে ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব না কমায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা না নিয়ে অটো পাস দিয়ে পরবর্তী শ্রেণীতে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বাংলাদেশে এমনটি করার চিন্তা ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।