জবানবন্দি দিতে চাইছে’ননা ওসি প্রদীপসহ তিন আ’সা’মী

দুই দফা রি’মান্ডের প’রও সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হ’ত্যা মা’ম’লার তিন আ’সামী টেকনাফ থানার অব্যহতিপ্রাপ্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাস, পরিদর্শক লিয়াকত এবং এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত জবান’বন্দি দিতে চাইছেন না।তাই মা’মলার অধিকতর তদন্তের স্বার্থে এই তিন আ’সামীকে তৃতীয় দফায় তিন দিনের রি’মান্ডে নেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় চারদিনের রি’মান্ড শেষে গতকাল শুক্রবার

বিকেল ৩টার দিকে তাদের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টেকনাফ-৩ আ’দালতে হাজির করা হয়। সেখানে র‍্যাবের পক্ষ থেকে তদন্ত কর্মকর্তা চার দিনের রি’মান্ড আবেদন করেন। অপরদিকে চট্টগ্রাম থেকে আসা একদল আইনজীবী আ’সামি’দের জা’মিন আবেদন করেন। পরে তাদের জামিন আবেদন খারিজ হয়ে যায় এবং শুনানি শেষে বিচারক তামান্না ফারাহ তিন দিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন।

এছাড়া আ’সামী পক্ষের আইনজীবী অভিযোগ করেন রি’মান্ডে নি’র্যাত’নে ওসি প্রদীপের হাত পা ভেঙে দেয়া হয়েছে। আ’সামি’পক্ষের আইনজীবী দলের প্রধান আহসানুল হক হেনা সাংবাদিকদের বলেন, আইন অনুযায়ী, একজন আ’সামিকে একটি মা’মলায় সর্বোচ্চ ১৫ দিন রি’মান্ডে নেওয়া যায় কিন্তু ওসি প্রদীপ কুমারসহ অন্যদের ৬ আগস্ট থেকে ২২ দিন ধরে র‌্যাব হেফাজতে রাখা হয়েছে। এরপর আজ তৃতীয় দফায় আবারও তিন দিন রি’মান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। তাই তারা শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আ’দা’লতের শরণাপন্ন হবেন।

সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে ওসি প্রদীপসহ প্রধান তিন আ’সামি একেক সময় একেক কথা বলছেন। কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে তারা দীর্ঘ সময় নিচ্ছেন আবার কিছু প্রশ্নের কৌশলী উত্তর দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে এপিবিএনের আট’কৃকত তিন সদস্যের দেয়া জবানবন্দিতে লিয়াকত ও এসআই নন্দ দুলালের ভূমিকার বিষয়টি উঠে এসেছে। কিন্তু এরপরও পরিদর্শক লিয়াকত গু’লির কারণ নিয়ে এরই মধ্যে তিন ধর’নের ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

এদিকে, র‌্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মা’মুন তদন্তের স্বার্থে কয়েকদিন যাবৎ কক্সবাজারে অবস্থান করছেন এবং মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের সাথে একাধিক বৈঠক করেছেন।প্রসঙ্গত, সিনহা হ’ত্যা মা’ম’লায় এখন পর্যন্ত সাত পুলিশ সদস্য, তিন এপিবএন সদস্য এবং স্থানীয় তিন বাসিন্দাসহ মোট ১৩ জনকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে।সূত্রঃ সমকাল