‘ক্র’সফা’য়ারের’ ভ’য় দেখিয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নিয়েও প্রবাসীকে ই’য়াবা দিয়ে কা’রাগারে পাঠান ওসি প্রদীপ

কক্সবাজারের টেকনাফে সদ্য প্রত্যাহার হওয়া মডেল থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগের শেষ নেই।টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছোট হাবির পাড়ার জুবাইদা বেগম বলেন,আমার দ্বিতীয় ছেলে দুবাই প্রবাসী মহিউদ্দিন কামাল ১১ জুলাই ঢাকা আসেন।এরপর ১৪দিন প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে থাকতে হয়েছে। ২৬ তারিখ বাড়িতে পৌঁছেন। দেশে নিজের পরিবারের স্বজনদের নিয়ে ঈদ করতে এক মাসের জন্য বাড়িতে এসে ছিলেন।

২৯ জুলাই বাবার জন্য ছোট ভাইসহ ঈদের কাপড় কিনতে আলো শপিং কমপ্লেক্স গেলে কাপড় নিয়ে ফেরার পথে ব্রিজের সামনে থেকে প্রদীপ বাহিনী তাকে মাইক্রোতে উঠিয়ে নিয়ে যায়। পরে যোগাযোগ করলে ক্র’সফা’য়ারে ভ’য় দেখিয়ে ১৫লাখ টাকা দাবি করেন ওসি প্রদীপ।এরপর তাকে ছেড়ে দিবে বলে সাড়ে ৪লাখ টাকা নেন ওসি প্রদীপ।টাকা নেওয়ার পরেও থাকে ৪০০ ইয়াবা দিয়ে কা’রাগারে প্রেরণ করেন।

তিনি বলেন, দেশে ঈদ করতে এসে ইয়াবার কলঙ্কিত হল আমার ছেলে মহিউদ্দিন কামাল!এখন আমার মন কে কিছুতে বুঝাতে পারছি না, ছেলে কে বিদেশ থেকে ডেকে এনে তিন দিন বাসায় থাকার পর বিনাদোষে যেতে হলো কা’রাগারে?এখন ছেলের জন্য কিছুু খেতে পারছি না?এসময় কাৃউকে কিছু বলার ক্ষমতা ছিলো না কিছু বললে ক্র’সফা’য়ার ও গু’ম করে ফেলবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন,আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের কাছে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই ।ভক্তভোগীরা জানান, টাকা নিয়ে ‘ক্র’সফা’য়ার’ না দিয়ে কমবেশি ইয়াবা দিয়ে আ’দালতে এদের চালান দেতেন প্রদীপ এবং টাকা দিতে যে ব্যর্থ হতো তার তাই হতো মেরিন ড্রাইভ।

সূত্রে জানা যায়, গত ২২ মাসে টেকনাফে ১৪৪টি ‘ক্র’সফা’য়ারের’ ঘটনা ঘটেছে।এসব ঘটনায় ২০৪ জন মা’রা গেছেন।তাদের অর্ধেকের বেশি লা’শ পড়েছিল মেরিন ড্রাইভে। যারা মা’রা গেছেন তাদের পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। যাকে ‘ক্র’সফা’য়ারে’ দেয়া হতো ১০-১২ দিন তাকে থানা হাজতে রাখা হতো। আবার মাসের পর মাস থানা হাজতে রাখার ঘটনাও ঘটেছে।