‘কোটা’ থাকছে না প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে

কোটা থাকছে না সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষকদের পদ ১৩তম গ্রেড ঘোষণা হওয়ায় কোটা তুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে।এ ধারাবাহিকতায় সেপ্টেম্বরের শেষে অথবা অক্টোবরের প্রথম দিকে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ২৫ হাজার ৩০০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক ও ১০ হাজার শূন্যপদে (এ সংখ্যা কমবেশি হতে পারে) সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন…করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে একাদশ শ্রেণিতে নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস শুরু হচ্ছে। অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে এ স্তরের ক্লাস শুরু হবে। এ লক্ষ্যে ১ অক্টোবর বাজারে এই ক্লাসের পাঠ্যবই বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করা হবে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হবে ভর্তি কার্যক্রম। চলবে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে অনলাইনেই কেবল এই ক্লাস চলবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে গেলে স্বাভাবিক ক্লাস শুরু হবে।’

জানা গেছে, এবারও মোট তিন ধাপে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করে। প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন করেছে। এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন। অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিকে মোট পাঠ্য বইয়ের সংখ্যা ৩৯টি। এগুলোর মধ্যে- বাংলা, ইংরেজি এবং বাংলা সহপাঠ বই সরকারিভাবে প্রকাশিত হয়। এবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের বইটিও বেসরকারি প্রকাশকদের পাশাপাশি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) বইও বাজারে থাকছে। এই বইটি নিয়ে মামলা হয়েছিল। ফলে বেসরকারি প্রকাশকদের প্রকাশিত বাকি ৩৫টি বই বাজারে থাকছে।