কাজ হারিয়ে দেশে সব সঞ্চয় পাঠিয়ে দিচ্ছেন বাংলাদেশের প্রবাসীরা

মহামা’রীর মধ্যেও গত তিন মাসে বাংলাদেশে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে। বিশ্ব ব্যাংক বলছে, ”কাজ হা’রিয়ে দেশে ফেরার আগে প্রবাসীরা তাদের সমস্ত সঞ্চয় দেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এর কারণে রেমিটেন্সে এই উল্লম্ফন ঘ’টেছে।”বৃহস্পতিবার বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া ইকনোমিক ফোকাস রিপো’র্টে এ ত’থ্য জানানো হয়।

বলা হয়েছে, মহামা’রীর অ’ভিঘা’ত প্রলম্বিত হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়া নজিরবি’হী’ন অর্থনৈতিক ম’ন্দা পরি’স্থি’তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ উল্লেখ করে বিশ্ব ব্যাংকের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামীতে রেমিটেন্স প্রবাহ সামনে কমে আসতে পারে, সেই সঙ্গে উৎপাদন ও নির্মাণ খাতে কর্মীদের আয় কমে আসায় ভোগ ব্যয় বাড়ার সুযোগ থাকবে না।

বিশ্ব ব্যাংক মনে করছে, বাংলাদেশের ক্রেতা দেশগুলোতে তৈরি পোশাকের চাহিদা না বাড়লে বিনিয়োগ ও রফতানি আয়ের দিক দিয়েও বাংলাদেশ আরও ভো’গা’ন্তিতে পড়তে পারে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চাহিদা বাড়তে শুরু করলেও তা কতটা টেকসই হবে, সে সং’শ’য় রয়েছে।

এদিকে,ধুয়ে পরিষ্কার করা হলো পবিত্র কাবা শরিফ। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ধোয়ামুছার এ কাজ সম্পূর্ণ করা হয়। সৌদি গেজেটের এক প্র’তিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবের বাদশাহ ও পবিত্র দুই মসজিদের জিম্মা’দার সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের পক্ষ থেকে কাবা শরিফ ধোয়ার কাজে নেতৃত্ব দেন মক্কার আমির যুবরাজ খালিদ আল ফয়সাল। চলমান মহামা’রি করোনা ভাইরাস সং’ক্রমণ থেকে পবিত্র স্থানে ভ্রমণকারীরা যেন রক্ষা পান, সে জন্য কাবা শরিফ ধৌত করার আয়োজন করা হয়।

কাবা শরিফ ধোয়ার কাজ পর্যবেক্ষণে যান মক্কার আমির খালিদ আল ফয়সাল, দুই মসজিদের সভাপতি শেখ ডা. আবদুল রহমান আল সুদাইস এবং অন্য কর্মকর্তারা। কাবা শরিফের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করেন যুবরাজ খালিদ আল ফয়সাল। জমজম কূপের পানি ও গোলাপ তেলের বিশেষ মিশ্রণ কাপড়ে ভিজিয়ে নিয়ে কাবা শরিফের দেয়াল পরিষ্কার করেন তিনি। সূত্র : সৌদি গেজেট।