কর্মীদের ৩০ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ সৌদির

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে আগামী ৩০ আগস্ট থেকে দেশটির সব অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সৌদি সরকারের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়নবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।জানানো হয়েছে, কর্মস্থলে সবাইকে স্বাস্থবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কর্মস্থলে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি স্থগিত থাকবে। এছাড়া সবাই এক সঙ্গে কাজ করার বদলে ধাপে ধাপে শিডিউল করে উপস্থিত হবেন।এ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে সৌদি আরবের বিভিন্ন নগরের স্বাস্থ্য সূচকের আলোকে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবরোধে বেশ কয়েকমাস ধরে কর্মকর্তারা ঘরে থেকে অনলাইনে অফিসের কাজ করছিলেন।

এদিকে, সৌদি আরবে করোনায় একদিনে মারা গেছে ৪২ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ হাজার ৩৮৫ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৩ হাজার ৫৪৮ জন।২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৩৮৫ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭৬ জন। আজ নতুন করে ১ হাজার ২৮৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৭৩ জন। চিকিৎসাধীন ২৪ হাজার ৯৪৯ জন। গুরুতর ১ হাজার ৬৮২ জন।

এদিকে,করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা কঠিন সময় পার করছেন। তবে, এরই মধ্যে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীদের সমস্যার ইতিবাচক সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ দূতাবাস।দক্ষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতির মাঝেও বৈধ-অবৈধ নির্বিশেষে বাংলাদেশি কর্মীদের করোনা চিকিৎসা, শ্রমিক পুনর্বাসন, কোম্পানি পরিবর্তন সুবিধা প্রদান করেছে এবং ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকা কর্মীদের এবং অবৈধ শ্রমিকদের বৈধকরণের ইতিবাচক সম্মতি প্রদান মালয়েশিয়ার সরকারের সুদৃষ্টির সুস্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করছে।

করোনা পরিস্থিতিতে দুই দেশের অর্থনৈতিক, দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কে কোনো বিরূপ প্রভাব যাতে না পড়ে এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের কোনো সমস্যা না হয় সবদিকে সতর্ক থেকে হাইকমিশন দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে।মালয়েশিয়ায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং চিকিৎসায় সফল হওয়ায় অর্থনীতি পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে। মার্চের দ্বিতীয়ার্ধে কঠোর মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার জারি করলে অতি আবশ্যক এবং জীবন রক্ষাকারী পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ থাকে। সে সময় বাংলাদেশি কর্মীরা এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছে করোনাযোদ্ধা হিসেবে।