ওসি প্রদীপের আরেক কীর্তি: বাবা-মেয়ের নামে ১০ মামলা, বছরভর কারাবন্দী

বাবার ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করেছিলো কিশোরী। থানায় তুলে নিয়ে তাই করা হয় যৌন হয়রানি। ওসি প্রদীপের দেয়া মামলায় এক বছর ধরে কারাবন্দি বাবা-মেয়ে।কিশোরীর নাম জবা (ছদ্মনাম)। অষ্টম শ্রেণীর এই ছাত্রীর বয়স পুলিশের কাগজপত্রে দেখানো হয় ১৯ বছর। থানায় নিয়ে করা হয় নির্যাতন। মেয়েকে ছাড়াতে ৫ লাখ আর ৪০ লাখ টাকা চাওয়া হয় বাবার জন্য। ১৫ লাখ টাকা দেয়ার পর জবার মাকেও গ্রেফতার করা হয়।

পুরো পরিবারের নামে দেয়া হয় ১০ মামলা। বাবাকে গ্রেফতারের পর থেকে আদালতে চালানের মাঝখানের ১৮ দিনের কোন রেকর্ড নেই।এক বছর হলো বাবা-মেয়ে কারাগারে। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এতদিনেও পুলিশের চার্জশিট না দেয়া আর কিশোরীর বয়স অনুযায়ীই জামিন পাওয়া উচিৎ।

মানবাধিকার কর্মী সালমা আলী বলেন, ১২০ দিনের ভিতরে যখন চার্জশিট হচ্ছে না, তখন আদালত চাইলে জামিন দিতে পারেন।অন্যদিকে এ ধরনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণের কথা বললেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

কক্সবাজার পিপি ফরিদুর আলম বলেন, এসব মামলাগুলো নজরে আনা হবে। যেভাবে ন্যায়বিচার দেয়া যায় তা দেখছি আমরা। এছাড়া ভূক্তভোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের ওপর জোর দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো পড়ুন…দিনাজপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি জানান, হামলকারীরা ইউএনও’র পরিচিত নন।বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে দেখতে গিয়ে জনপ্রসাশন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এ কথা জানান।এদিকে, দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত ইউএনও ওয়াহিদা খানমের অবস্থা সংকটাপন্ন। তার মাথার খুলি ভেঙে ভেতরে ঢুকে যাওয়ায় এখনই অস্ত্রোপচার বা বিদেশে নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স হাসপাতালের চিকিৎসক প্রফেসর ডা. জাহিদ।এর আগে, ওয়াহিদা খানমকে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে আনা হয়।