ঈশ্বরদীর ৭ ভাই একসঙ্গে গেলেন ওমরাহ পালনে

পাবনার ঈশ্বরদী থেকে পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে একসঙ্গে আপন সাত ভাই সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকালে তাঁরা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে যাত্রা করেন।একসঙ্গে সাত ভাইয়ের ওমরা পালনের এই উদ্যোগ এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি করেছে। বিষয়টিকে সাধুবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও লিখছেন অনেকে।ওমরাহ পালনে যাওয়া

এই ভাইয়েরা হলেন উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের চর রূপপুরের জিগাতলা গ্রামের মৃত আবেদ আলী মুন্সীর ছেলে ফজলুল হক, আলমগীর পারভেজ, সেলিম হোসেন, রিয়াজুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, আনজারুল ইসলাম ও রাসেল রানা। তাঁদের মধ্যে আলমগীর পারভেজ পেশায় চিকিৎসক, বাকিরা ব্যবসায়ী।বর্তমান সময়ে ভাইয়ে ভাইয়ে এমন মিল খুব কম দেখা যায়। তাঁরা যে এখনো মিলেমিশে চলেন, এটা প্রশংসার দাবি

রাখে।আজগর আলী, গ্রামের বাসিন্দাপরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই একসঙ্গে সাত ভাই ওমরাহ পালনে যাওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে এবার ওমরাহ পালনের জন্য টাকা জমা দেন। ফ্লাইট ধরতে গতকাল সোমবার তাঁরা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। আজ সকাল ৯টায় সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন। ৭ ভাই সৌদি আরবে ১৭ দিন অবস্থান করবেন। ওমরাহ পালনের পাশাপাশি তাঁরা

সৌদি আরবের বিভিন্ন দর্শনীয় পবিত্র স্থান ঘুরে দেখবেন।গ্রামের বাসিন্দা আজগর আলী বলেন, একসঙ্গে এমন করে সাত ভাই আগে কখনো ওমরাহ পালনে গেছেন কি না, তাঁদের জানা নেই। বর্তমান সময়ে ভাইয়ে ভাইয়ে এমন মিল খুব কম দেখা যায়। তাঁরা যে এখনো মিলেমিশে চলেন, এটা প্রশংসার দাবি রাখে।আনোয়ার হোসেন নামের আরেকজন বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমত ছাড়া এমন সফর হয় না। তাঁদের জন্য

শুভকামনা জানাই।’এদিকে সাত সন্তানের এই সফরে খুশি তাঁদের শতবর্ষী মা ফজিলা বেগম। তিনি বলেন, তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় সাত ছেলে একসঙ্গে ওমরাহ পালনে যাওয়ায় তিনি খুব খুশি। ফজিলা বেগম বলেন, ‘আমি ছেলেদের জন্য দোয়া করছি। তারা যেন সুস্থ ও সবল অবস্থায় আবার আমার কাছে ফিরে আসে।’