আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে যা জানালো সৌদি আরব

করোনাভাইরাস রোগের (কোভিড -১৯) প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব ১৫ মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্থগিত করেছিল।সেই থেকে, দেশটি কঠোর লকডাউন জারি করেছিলো। ক্রমেই কঠোর অবস্থান থেকে বেরিয়েছে দেশটি এবং শহরগুলির মধ্যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাগুলি সহজ হয়েছে।সম্প্রতি জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরের

মধ্যে ২২ আগস্ট থেকে পুনরায় ফ্লাইট চালু হয়েছে। ফ্লাইটগুলো মূলত ব্রিটিশ নাগরিক বা যাদের যুক্তরাজ্যে প্রবেশের ভিসা রয়েছে তাদের জন্য।ব্রিটিশ কনসাল জেনারেল শেফ উশার তার টুইটার অ্যাকাউন্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তবে অন্য দেশে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয় নি সৌদি আরব।

আরো পড়ুন….চলতি বছরের অক্টোবরে নিয়মিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ফ্লাইটের কার্যক্রম শুরু করছে পাকিস্তানের নতুন বিমানসংস্থা ‘সেরেন এয়ার’। সেরেন এয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক গন্তব্য হবে দুবাই।সম্প্রতি বিমান সংস্থাটির বহরে যোগ হয়েছে এয়ারবাসের এ ৩৩০-২০০ মডেলের একটি উড়োজাহাজ এবং বোয়িং কোম্পানির ৭৩৭-৮০০ মডেলের চারটি উড়োজাহাজ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও শারজায় নিয়মিত পরিষেবা দিয়ে আমিরাতের বাজারে প্রবেশ করবে বিমান সংস্থাটি। পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স এবং এয়ার ব্লুয়ের পরে এটি হবে পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম বিমান সংস্থা।সেরেন এয়ারের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ সাফদার খান বলেছেন “সেরেন এয়ার আপাতত সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুবাই ও শারজায় আন্তর্জাতিক ফ্লাইট শুরু করতে প্রস্তুত, এরপরে সৌদি আরবে জেদ্দা ও রিয়াদে তাদের ফ্লাইট পরিচালনা করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তারা আরও আন্তর্জাতিক গন্তব্য বৃদ্ধি করবে”

অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের কোনো শহরে সরাসরি কোনো ফ্লাইট নেই। কিন্তু এই রুটে যাত্রী সংখ্যা কম নয়। কোনো সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় এই রুটের যাত্রীরা দুবাই হয়ে বা শ্রীলংকা হয়ে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের যাতায়াত করেন। তাই পাকিস্তানের নতুন বিমানসংস্থা ‘সেরেন এয়ার’ তাঁর আন্তর্জাতিক গন্তব্যের তালিকায় রাখতে পারে বাংলাদেশকে।