আগামী বছরে শতভাগ ফ্লাইট চালুর আশা এমরিটস এয়ারলাইন্সের

আগামী বছরের গ্রীষ্মের আগেই এমিরেটস এয়ারলাইন্স তাদের ১৪৩টি গন্তব্যে শতভাগ ফ্লাইট চালু করতে পারবে। এমন আশার কথা জানিয়েছেন বিমানসংস্থাটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা আদেল আল-রেধা।করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় ভাইরাসটির সংক্রমণ রোধ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্বের প্রায় সব দেশের সীমানাই বন্ধ করে রাখা হয়েছে।এতে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিমান পরিবহন বাণিজ্য। এমিরেটসের ওয়েবসাইটের তথ্য মতে,

সংস্থাটি বর্তমানে ৮০টির মতো গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।চলতি সপ্তাহে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনবিসি’কে দেয়া সাক্ষাৎকারে আদেল আল-রেধা বলেন,এটা সহজেই বলতে পারি যে ২০২১ সালের গ্রীষ্মের আগেই আমরা আমাদের ১৪৩টি গন্তব্যেই ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবো।

করোনা মোকাবিলায় কঠোর পদক্ষেপ থেকে অনেক অঞ্চল ও অনেক দেশের সরে আসাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন আদেল।ওই সাক্ষাৎকারে আদেল বলেন, আমরা যদি এক মাসের আগের সঙ্গে তুলনা করি; দেখা যাবে সেই তুলনায় আমরা বর্তমানে দ্বিগুন যাত্রী পরিবহন করছি।জুলাই ও আগস্টে এয়ারলাইন্সগুলো প্রত্যাশার চেয়ে ভালো করছে বলেও জানান তিনি।

আরো পড়ুন…পাঁচ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটারে ৩৭টি প্লেন অ্যাপ্রোন (প্লেন পার্ক করার জায়গা) ও এক হাজার ২৩০টি গাড়ি রাখার সুবিধা, ৬৩ হাজার বর্গফুট জায়গায় আমদানি-রফতানি কার্গো কমপ্লেক্স, ১১৫টি চেক-ইন কাউন্টার— সব মিলিয়ে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিমানবন্দরের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে।টার্মিনালটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দৃষ্টিনন্দন বিমানবন্দরের সারিতে নাম লেখাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।২০১৯ সালের শেষে শুরু হওয়া এ টার্মিনালের নির্মাণকাজ শেষ হবে ২০২৩ সালের জুনে।

এ টার্মিনাল নির্মাণে ২০১৭ সালের ২৪ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।বৃহৎ এই টার্মিনাল নির্মাণের ব্যয় প্রথমে ধরা হয়েছিল ১৩ হাজার ৬১০ কোটি টাকা। পরে অবশ্য প্রকল্প ব্যয় সাত হাজার ৭৮৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা বাড়ানো হয়। নির্মাণকাজে অর্থায়ন করছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।