অবশেষে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতির নির্দেশ

করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আরা নাজনীন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। বিদ্যালয় পুনরায় চালুর আগে অনুমোদিত নির্দেশিকার আলোকে প্রস্তুতি গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় পুনরায় চালুর নির্দেশিকা স্কুল পর্যায়ে প্রেরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে প্রস্তুতি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয়ের সব পদক্ষেপ পোস্টার, লিফলেট তৈরি করে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করতে বলা হয়েছে। এর একটি খসড়াসহ উপস্থাপন করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে,দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ হাজার ৫৫২ জনে। এছাড়া নতুন করে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ৮৯২ জনের দেহে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্ত হলো ৩ লাখ ২৯ হাজার ২৫১ করোনা রোগী।মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ২৩৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮০৯ জন।এর একদিন আগে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আরও ২ হাজার ২০২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান আরও ৩৭ জন।বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ৭৪ লাখ ৯২ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এ মহামারিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৮ লাখ ৯৬ হাজার।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯২৬ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭৪ লাখ ৯২ হাজার ৯৮২ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ কোটি ৫৯ লাখ ২২ হাজার ৮০ জন।