অবশেষে জানা গেল প্লা`স্টিকের ড্রা`মে পাওয়া লা`শের মূল প`রিচয়

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভুরঘাটা বাসট্যান্ডে ড্রামের ভেতর পাওয়া লা`শের প`রিচয় জানা গেছে। লা`শটি সাবিনা ইয়াসমিন নামে এক নারীর। তিনি মুলাদী উপজেলার নাজিরপুরের সাহেব আলীর মেয়ে ও গৌরনদীর দিয়াসুর এলাকার প্রবাসী শহিদুল ইসলাম হাওলাদারের স্ত্রী।জানা গেছে, স্বামী কাতারে থাকায় সাবিনা ইয়াসমিন তিন সন্তান নিয়ে নারায়গঞ্জের ফতুল্লায় বসবাস করতেন।

লা`শটি শ`নাক্ত করেন নি`হ`তের দেবর ম`নির হাওলাদার।তিনি জানান, শুক্রবার সকালে নারায়ণগঞ্জ থেকে সন্তানদের নিয়ে গৌরনদীতে আসেন সাবিনা। সকাল ১০টার দিকে মোবাইলে কারো সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর সন্তানদের রেখেই বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সেই থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

শুক্রবার রাতে গৌরনদীর ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ডে অ`ভ্যন্তরীণ রু`টের পিএস ক্লা`সিক পরিবহন নামে একটি বাসে ড্রা`মের ভে`তর বো`রকা পরা নারীর লা`শ পাওয়া যায়। এর আগেই বাস থেকে পালিয়ে যান ড্রা`মের সঙ্গে থাকা এক পুরুষ। শনিবার বিকেলে লা`শের প`রিচয় শ`নাক্ত ও নি`হ`তের দেবরের সন্ধান পায় পু`লিশ।পু`লিশ জানায়, নি`হ`তের স্বামী শহিদুল হাওলাদারের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রায় ১০ মাস আগে চার লাখ টাকা দেয় গৌরনদীর মাহিলাড়া এলাকার খালেক হাওলাদার।

এর মধ্যে ক`রোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়ায় সে বিদেশে যেতে অ`সম্মতি জানায়। এ কারণে সাবিনা তাকে দেড় লাখ টাকা ফেরত দেন। শুক্রবার সকালে তাকে মোবাইলে ডেকে নেন খালেক হাওলাদার। ওই রাতে তার লা`শ পাওয়া যায়।গৌরনদী থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, ধা`রালো কিছু দিয়ে মা`থায় আ`ঘাত করে সাবিনাকে হ`ত্যা করা হয়েছে।

এরপর একটি প্লা`স্টিকের ড্রা`মে ভরে লা`শ গু`ম করার জন্য বাসে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লা`শ উ`দ্ধারের পর ম`র্গ থেকে তার আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে প`রিচয় শ`নাক্ত করা হয়। পরে ফি`ঙ্গার প্রি`ন্টের মাধ্যমে ওই নারীর প`রিচয় শ`নাক্ত করা হয়। এ হ`ত্যাকা`ণ্ডের সঙ্গে জ`ড়িতদের শ`নাক্তে ত`থ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নেয়া হচ্ছে। শি`গগিরই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।